কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেট: 10.00%
menu

IBBL

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: একটি পরিচিতি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (আইবিবিএল) বাংলাদেশের আর্থিক খাতে একটি পথিকৃত প্রতিষ্ঠান। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরিয়াহ-সম্মত ব্যাংক হিসেবে ১৯৮৩ সালের ১৩ মার্চ যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি ইসলামী শরিয়াহর মূলনীতি, অর্থাৎ সুদ-মুক্ত এবং লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক নেটওয়ার্কের অধিকারী এই ব্যাংকটি বর্তমানে ১২ মিলিয়নেরও বেশি আমানতকারীকে সেবা প্রদান করছে এবং এর ব্যালেন্স শীট ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।

আইবিবিএল-এর মালিকানা কাঠামোতে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগকারী রয়েছেন। প্রাথমিক পুঁজির ৭০ শতাংশ সৌদি ও কুয়েতি বিনিয়োগকারীদের দ্বারা সরবরাহ করা হয়েছিল, বাকি অংশ বাংলাদেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলির দ্বারা। ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, দুবাই ইসলামিক ব্যাংক, কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস এবং আল রাজি ব্যাংক এর প্রধান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলি মোট শেয়ারের ৬৭.৫১% ধারণ করে এবং স্থানীয় শেয়ারহোল্ডাররা ৩২.৪৯% এর মালিক।

ব্যাংকটি খুচরা, এসএমই, কর্পোরেট, কৃষি এবং গ্রামীণ খাত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমানত সংগ্রহ এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক বিনিয়োগ (ঋণ) পণ্য সরবরাহ করে। এর লক্ষ্য গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছেন বেতনভোগী পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, কৃষক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা।

ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ পণ্য ও সেবা

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বিভিন্ন ধরনের শরিয়াহ-সম্মত বিনিয়োগ (ঋণ) পণ্য সরবরাহ করে, যা সুদের পরিবর্তে লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগির নীতির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। এর প্রধান বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলি নিম্নরূপ:

সাধারণ বিনিয়োগ পদ্ধতি

  • বাই-মুরাবাহা: এটি একটি deferred payment sale চুক্তি। ব্যাংক পণ্যের ক্রয়মূল্য এবং তার সাথে যুক্ত লাভ প্রকাশ করে, এবং গ্রাহক নির্দিষ্ট কিস্তিতে পরিশোধ করেন।
  • বাই-মুয়াজ্জাল: এই চুক্তিতে গ্রাহক নির্দিষ্ট পণ্য অর্ডার করেন, মূল্য পূর্বনির্ধারিত থাকে, এবং পণ্য পরে বিতরণ করা হয়। এক্ষেত্রে আলাদাভাবে ক্রয়মূল্য প্রকাশ করা হয় না।
  • বাই-সালাম: কৃষি বা শিল্প পণ্যের ভবিষ্যতের সরবরাহের জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদানের চুক্তি এটি। এক্ষেত্রে জামানত এবং গ্যারান্টি অনুমোদিত।
  • বাই-ইস্তিসনা: এটি কাস্টম-মেড বা বিশেষভাবে তৈরি পণ্যের জন্য একটি উৎপাদন চুক্তি, যেখানে অগ্রিম বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা যেতে পারে। উৎপাদন শুরু হলে চুক্তিটি বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।
  • মুদারাবা: এই চুক্তিটি লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগির ভিত্তিতে মূলধন সরবরাহকারী এবং ব্যবস্থাপকের মধ্যে একটি অংশীদারিত্ব।
  • মুশারাকা: এটি একটি যৌথ ইক্যুইটি অংশীদারিত্ব, যেখানে লাভ ও ক্ষতি মূলধন অবদানের অনুপাতে ভাগ করা হয়।
  • এইচপিএসএম (হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিলক): এটি একটি যৌথ মালিকানা এবং পরে গ্রাহকের কাছে লিজ দেওয়ার চুক্তি, যেখানে গ্রাহক ধীরে ধীরে ব্যাংকের অংশ ক্রয় করে নেয়।

খাত-ভিত্তিক প্রকল্প

  • এসএমই ও খাদ্য ও কৃষি: ০.৫০ মিলিয়ন টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ, সর্বোচ্চ ৫ বছর মেয়াদী পরিশোধ সুবিধা। ০.৫০ মিলিয়ন টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের জন্য জামানত মওকুফ করা হয়।
  • প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা: ০.০৫ মিলিয়ন থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ। এক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মুনাফার হার প্রায় ১৩% বার্ষিক মুনাফা (অনিশ্চিত) প্রযোজ্য হতে পারে।
  • আবাসন, গাড়ি, চিকিৎসক এবং কৃষি সরঞ্জাম: এই খাতগুলির জন্য বিশেষ মেয়াদ এবং শর্তাবলী রয়েছে, যা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। বিস্তারিত যোগ্যতা এবং জামানত ভিন্ন ভিন্ন হয়।

বিনিয়োগের শর্তাবলী ও ফি

মুনাফার হার: চুক্তির ধরন অনুযায়ী মুনাফার হার পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রবাসী প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ১৩% বার্ষিক মুনাফা (অনিশ্চিত) প্রযোজ্য হতে পারে।

ফি: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য। শরিয়াহ অনুযায়ী দেরিতে পরিশোধের জন্য জরিমানা নিষিদ্ধ হলেও, ব্যাংক একটি পরিষেবা চার্জ আরোপ করতে পারে।

জামানত: বেশিরভাগ বিনিয়োগের জন্য জামানত প্রয়োজন। ০.৫০ মিলিয়ন টাকা পর্যন্ত এসএমই বিনিয়োগের জন্য জামানত মওকুফ করা হয়। আবাসন বিনিয়োগের জন্য বন্ধক এবং মুরাবাহা বিনিয়োগের জন্য পণ্য নিরাপত্তা প্রয়োজন হতে পারে।

আবেদন প্রক্রিয়া, ডিজিটাল সুবিধা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা

গ্রাহক অনবোর্ডিং ও কেওয়াইসি

ইসলামী ব্যাংক তার গ্রাহকদের জন্য সহজ এবং আধুনিক অনবোর্ডিং প্রক্রিয়া সরবরাহ করে। গ্রাহকরা ব্যাংকের ৩৯৫টি শাখা, ২৫১টি উপ-শাখা, ২,৭৮৩টি এজেন্ট আউটলেট, অনলাইন আইব্যাংকিং পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপ (আইবিবিএল আইস্মার্ট) এর মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ডিজিটাল ই-কেওয়াইসি অ্যাপ বা ওয়েবের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়, তবে আইডি, ঠিকানা প্রমাণ এবং আয়ের বিবৃতির জন্য শাখায় নথি যাচাইকরণ প্রয়োজন হয়।

ক্রেডিট স্কোরিং ও আন্ডাররাইটিং

ব্যাংক 'পাঁচ সি' (চরিত্র, সক্ষমতা, মূলধন, জামানত, শর্ত) এর উপর ভিত্তি করে ক্রেডিট স্কোরিং ও আন্ডাররাইটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশনের মধ্যে রয়েছে সিআইবি রিপোর্ট, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, ট্রেড লাইসেন্স, মূল্যায়ন সার্টিফিকেট এবং বিনিয়োগের ধরন অনুযায়ী গ্যারান্টর/বন্ধকী নথি।

অর্থ বিতরণ ও সংগ্রহ

বিনিয়োগের অর্থ ব্যাংক স্থানান্তর, চেক ইস্যু, মোবাইল ওয়ালেট (সেলফিন) বা নগদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। অর্থ সংগ্রহের জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, সাইট ভিজিট এবং স্টক রিপোর্ট ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকা অনুযায়ী ঋণ পুনর্গঠন এবং খেলাপি ঋণ আদায় করা হয়।

মোবাইল অ্যাপ: আইবিবিএল আইস্মার্ট

আইবিবিএল আইস্মার্ট অ্যাপটি iOS (iOS 10+ প্রয়োজন) এবং অ্যান্ড্রয়েড (4.3+ ভার্সন) উভয় প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ। ১ মিলিয়ন এরও বেশি ইনস্টল এবং গড়ে ৪.৩৯ রেটিং সহ এটি একটি জনপ্রিয় অ্যাপ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল:

  • আইরিচার্জ, আইট্রান্সফার (ব্যাংকের মধ্যে এবং ইএফটি/এনপিএসবি)।
  • চেক বইয়ের আবেদন।
  • ইউটিলিটি বিল পরিশোধ।
  • আইক্যাশ রেমিট।
  • ওয়াইম্যাক্স রিচার্জ।
  • অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট দেখা।
  • শাখা/এটিএম লোকেটার।

ব্যাংকের একটি প্রতিক্রিয়াশীল আইব্যাংকিং পোর্টালও রয়েছে যেখানে তহবিল স্থানান্তর, বিল পরিশোধ এবং অভিযোগ দায়েরের মতো সুবিধাগুলি পাওয়া যায়।

নিয়ন্ত্রক অবস্থা ও বাজার অবস্থান

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার, বাসেল ২/৩ এবং আইএএস/আইএফআরএস মেনে চলে। একটি শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি নিয়মিত নির্দেশনা প্রদান করে। ব্যাংকটি শাখা নেটওয়ার্ক এবং ইসলামী ব্যাংকিং সম্পদের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক, যা মোট ইসলামী ব্যাংকিং বাজারের প্রায় ৯০% অংশীদারিত্ব ধারণ করে। এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হলো আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক।

আইবিবিএল তার ব্যাপক গ্রামীণ প্রচার, ইসলামী ক্ষুদ্রঋণে অগ্রণী ভূমিকা এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শক্তিশালী সিএসআর কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেকে আলাদা করেছে।

গ্রাহক পর্যালোচনা ও সাধারণ অভিযোগ

আইস্মার্ট অ্যাপটি তার ব্যাপক বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রশংসিত হলেও, মাঝে মাঝে বাগ/ক্র্যাশ এবং মাঝেমধ্যে পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহক সেবার প্রতিক্রিয়ার ধীরগতি এবং নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতাও কিছু গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়। তবে, ব্যাংকটি ২৪/৭ কল সেন্টার (১৬২৫৯) এবং কর্পোরেট/এসএমই ক্লায়েন্টদের জন্য নিবেদিত সম্পর্ক ব্যবস্থাপকদের মাধ্যমে পরিষেবা মান উন্নত করার চেষ্টা করে। একটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল এবং অনলাইন অভিযোগ নিবন্ধনের সুবিধাও রয়েছে।

সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে বিনিয়োগ (ঋণ) গ্রহণের কথা ভাবছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:

  • শরিয়াহ চুক্তি বুঝুন: আইবিবিএল একটি শরিয়াহ-সম্মত ব্যাংক। তাই, বিনিয়োগের জন্য আবেদন করার আগে বাই-মুরাবাহা, মুদারাবা, মুশারাকা ইত্যাদি চুক্তির মূলনীতি এবং আপনার জন্য এর ব্যবহারিক প্রভাবগুলি ভালোভাবে বুঝে নিন। সুদের পরিবর্তে এখানে মুনাফা বা লাভ-ক্ষতির অংশীদারিত্বের নীতি প্রযোজ্য।
  • মুনাফার হার ও শর্তাবলী যাচাই করুন: প্রতিটি বিনিয়োগ পণ্যের জন্য মুনাফার হার এবং পরিশোধের শর্তাবলী ভিন্ন হতে পারে। আবেদন করার আগে আপনার নির্বাচিত পণ্যের বিস্তারিত মুনাফার হার, মেয়াদ, এবং যেকোনো প্রযোজ্য ফি সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জেনে নিন।
  • জামানতের প্রয়োজনীয়তা: বেশিরভাগ বিনিয়োগের জন্য জামানত প্রয়োজন হয়। আপনার নির্বাচিত বিনিয়োগের জন্য কী ধরনের জামানত প্রয়োজন হবে এবং তার পরিমাণ কত হবে, তা সম্পর্কে আগে থেকে নিশ্চিত হন। ক্ষুদ্র এসএমই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ০.৫০ মিলিয়ন টাকা পর্যন্ত জামানত মওকুফের সুবিধা রয়েছে।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন: আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য সিআইবি রিপোর্ট, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, ট্রেড লাইসেন্স, মূল্যায়ন সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখুন। সময় বাঁচাতে আগে থেকেই সকল কাগজপত্র গুছিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
  • মোবাইল অ্যাপের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন: আপনি যদি ডিজিটাল লেনদেনের জন্য আইবিবিএল আইস্মার্ট অ্যাপ ব্যবহার করতে চান, তবে অ্যাপের বৈশিষ্ট্যগুলি এবং এর সাম্প্রতিক পর্যালোচনাগুলি দেখে নিন। কিছু ব্যবহারকারী অ্যাপের স্থিতিশীলতা নিয়ে অভিযোগ করলেও, এর ব্যাপক সুবিধাগুলি দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজ করতে পারে।
  • গ্রাহক সেবার মান বিবেচনা করুন: জরুরি প্রয়োজনে ব্যাংকের গ্রাহক সেবার প্রতিক্রিয়া সময় কেমন তা জেনে রাখা ভালো। ২৪/৭ কল সেন্টার থাকা সত্ত্বেও, পিক পিরিয়ডে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। অনলাইন অভিযোগ নিবন্ধনের সুবিধা ব্যবহার করে আপনি আপনার সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধান করতে পারেন।
  • প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ পর্যালোচনা করুন: যদিও ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম শরিয়াহ-সম্মত ব্যাংক, তবুও অন্যান্য ইসলামী ব্যাংক বা প্রচলিত ব্যাংকগুলির সাথে তাদের পণ্যের তুলনা করা উচিত। এটি আপনাকে আপনার প্রয়োজনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং লাভজনক বিকল্পটি বেছে নিতে সহায়তা করবে।
  • প্রোমোশনাল অফারগুলি সম্পর্কে অবগত থাকুন: ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে নতুন বিনিয়োগ প্রকল্প বা অফার চালু করতে পারে। এই ধরনের প্রোমোশনাল অফারগুলি সম্পর্কে অবগত থাকলে আপনি বিশেষ সুবিধা পেতে পারেন।

সবশেষে, যেকোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলুন এবং আপনার সকল প্রশ্ন ও সন্দেহ পরিষ্কার করে নিন। এটি আপনাকে একটি সুচিন্তিত এবং নিরাপদ আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

কোম্পানির তথ্য
4.34/5
যাচাইকৃত বিশেষজ্ঞ
জেমস মিচেল

জেমস মিচেল

আন্তর্জাতিক অর্থ বিশেষজ্ঞ ও ক্রেডিট বিশ্লেষক

১৯৩টি দেশে লোন বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা বিশ্লেষণে ৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা। স্বাধীন গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞ নির্দেশনার মাধ্যমে গ্রাহকদের সুবিবেচিত আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করি।

3 দিন আগে যাচাইকৃত
১৯৩টি দেশ
১২,০০০+ রিভিউ